বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে পরিচিত একটি পরিবারের সদস্য ব্যারিস্টার জাইমা জারনাজ রহমানের ৩১তম জন্মদিন আজ রোববার (২৫ অক্টোবর)। ১৯৯৫ সালের এই দিনে ঢাকার হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তিনি প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং ডা. জুবাইদা রহমানের একমাত্র কন্যা।[TECHTARANGA-POST:9401]পারিবারিক পরিচয়ের পাশাপাশি আইন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত অভিজ্ঞতার কারণে আলোচনায় রয়েছেন জাইমা রহমান। আইন পেশায় কাজের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়েও বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন তিনি।জাইমা রহমানের দাদা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি এবং মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত সেক্টর কমান্ডার। তাঁর দাদি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। অন্যদিকে, তাঁর নানা রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান ছিলেন। তিনি সরকারের মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছেন।শিক্ষাজীবনে জাইমা রহমান ঢাকার ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে পড়াশোনা করেন। পরবর্তী সময়ে যুক্তরাজ্যের কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর যুক্তরাজ্যের ঐতিহ্যবাহী আইনি প্রতিষ্ঠান ইনার টেম্পলের মাধ্যমে ব্যারিস্টারি পেশার যোগ্যতা অর্জন করেন। যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশে আইন পেশায় কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর।২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্টে বিএনপির প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে অংশ নেন জাইমা রহমান। ওই সফরে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হয়। পরে গণতন্ত্র, নারী অধিকার এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আয়োজিত বিভিন্ন আলোচনাতেও অংশ নেন তিনি।এ ছাড়া, ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির কার্যালয়ে আইন কর্মকর্তা হিসেবে তাঁর দায়িত্ব পালনের খবর প্রকাশিত হয়। ওই কার্যালয়ে সভাপতির নির্বাহী দপ্তরের আইনি বিষয়গুলো নিয়ে তিনি কাজ করছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।আইন পেশার বাইরেও সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রয়েছেন জাইমা রহমান। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে কাজ করা সংস্থা সুরভীর পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।জন্মদিনে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন, শিক্ষাগত যোগ্যতা, আইন পেশায় অভিজ্ঞতা এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সম্পৃক্ততা নতুন করে আলোচনায় এসেছে।